পাঞ্জু শাহ ফকির (১৮৫১- ১৯১৪)[১] বাঙালি মরমি কবি যাকে শ্রেষ্ঠত্বের বিচারে মরমিকবি লালন ফকিরের পরেই বিবেচনা করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তবে লালন ফকির পাঞ্জুশাহের গুরু নন, তবে যুবক পাঞ্জুশাহ বৃদ্ধ লালন ফকিরের সাথে পাল্লায় গান গেয়েছেন। পাঞ্জু শাহ ১৮৫১ (বাংলা ১২৫৮) শালে শৈলকূপা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম খাদেম আলী খন্দকার
গোলাম মোস্তফা (জন্ম: ১৮৯৭ - মৃত্যু: ১৩ অক্টোবর ১৯৬৪) একজন বাঙালি লেখক এবং কবি। তার কাব্যের মূল বিষয় ছিল ইসলাম ও প্রেম।
মুস্তফা মনোয়ার বা মুস্তাফা মনোয়ার (জন্ম:- ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৫) বাংলাদেশের একজন গুণী চিত্রশিল্পী। চিত্রশিল্পে তার স্বতঃস্ফূর্ত পদচারণা, বাংলাদেশে নতুন শিল্প আঙ্গিক পাপেটের বিকাশ, টেলিভিশন নাটকে অতুলনীয় কৃতিত্ব প্রদর্শন, শিল্পকলার উদার ও মহত্ শিক্ষক হিসেবে নিজেকে মেলে ধরা, দ্বিতীয় সাফ গেমসের মিশুক নির্মাণ এবং ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পেছনের লালরঙের সূর্যের প্রতিরূপ স্থাপনাসহ শিল্পের নানা পরিকল্পনায় তিনি বরাবর তার সৃজনী ও উদ্ভাবনী প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন।
ইলা মিত্র (১৮ অক্টোবর ১৯২৫- ১৩ অক্টোবর ২০০২) একজন বাঙালি মহীয়সী নারী এবং সংগ্রামী কৃষক নেতা। তিনি মূলত তেভাগা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। বাংলার শোষিত ও বঞ্চিত কৃষকের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি সংগ্রাম করেছেন। ভোগ করেছেন অমানুষিক নির্যাতন।( তেভাগা আন্দোলনের মহান নেত্রী ইলা মিত্র বিষয়ে নাচোলে আলাউদ্দীন আহমেদ বটু একটি তথ্য সমৃদ্ধ বই প্রকাশ করেন যার নাম ইলা মিত্র ও নাচোল।এই বইটি পড়লে ইলা মিত্র সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে)
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস